যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

আজকের দিনে বহুল প্রতীক্ষিত এই পদ্মা সেতুর এক বছর

আজকের দিনে বহুল প্রতীক্ষিত এই পদ্মা সেতুর এক বছর

নিজস্ব প্রতিবেদক ও মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

পদ্মা সেতুর এক বছর
পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের এক বছর পার হচ্ছে। গত বছর আজকের দিনে বহুল প্রতীক্ষিত এই সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যান চলাচল শুরু হলেও এখনো চলছে সেতু প্রকল্পের কাজ। এর মধ্যে নদীশাসনের কাজই বেশি।

এরই মধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় দুটিই বেড়েছে। চলতি মাসেই শেষ করতে হবে প্রকল্পের বাকি কাজ। পরের এক বছর ত্রুটি দায় সময়কাল (ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড) হিবেসে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নদীশাসনের কাজ হয়েছে ৯০.৫০ শতাংশ।

প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, এক বছরে সেতুর পারফরম্যান্স খুবই ভালো। সেতুর ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড শেষ হচ্ছে। আগামী এক বছরের যে ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড পাওয়া যাবে সেটা নদীশাসনের জন্য প্রযোজ্য হবে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পে আর তেমন কোনো কাজ বাকি নেই।

কিছু গাছ লাগানো বাকি থাকতে পারে। নদীশাসন জটিল ছিল তাই সময় বেশি লেগেছে। প্রকল্পের আর খরচ বা সময় বাড়বে না। বাকি রক্ষণাবেক্ষণের কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলমান থাকবে।
এদিকে পদ্মা সেতুতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত গতি এবং নির্দিষ্ট লেনে যান চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও সেতুর নিরাপত্তা কর্মীরা।

সেতুতে চলাচলকারী পণ্যবাহী ট্রাকের ওজন পরিমাপের জন্য দুই প্রান্তে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক ওজন স্টেশন।
প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক আমিরুল হায়দার চৌধুরী জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সেতুর দুই প্রান্তে দুটি ওজন স্টেশন পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে। ওজন স্টেশনে তিনটি লেনে যানবাহন ঢুকছে। ওজন পরিমাপক এরিয়া দিয়ে ক্রস (পার) করার মুহূর্তেই যানের ওজন মাপা হয়ে যায়। এতে সেতু পার হতে কোনো অতিরিক্ত সময় ব্যয় হচ্ছে না। এখন ওজন পরিমাপে কোনো চার্জ (খরচ) লাগছে না। তবে ভবিষ্যতে চার্জ নেওয়া হবে। ২২ টনের বেশি ওজনের যানগুলোকে সেতুতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না।

অতিরিক্ত ওজনের যানগুলো রাখার জন্য পার্কিং ইয়ার্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ওজন স্টেশনের পাশেই। পরে ইয়ার্ড থেকে অন্য যান এনে পণ্য কমিয়ে সেতু পার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে অতিরিক্ত পণ্যবাহী পরিবহনগুলো। গেল ছয় মাসে বেশ কয়েকটি যান অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনের কারণে পার্কিং ইয়ার্ডে পাঠাতে হয়েছে। তবে এই সংখ্যা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করতে পারেনি।

এদিকে সেতু চালুর দিনই এক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়। সেতুতে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ২১ এপ্রিল থেকে ট্রাফিক পুলিশ কঠোর নজরদারি করছে।

মুন্সীগঞ্জের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) মো. বজলুর রহমান জানান, গত ২৩ এপ্রিল থেকে সেতুতে যানের গতি নিয়ন্ত্রণে স্পিডগান ব্যবহার করা হচ্ছে। এই সময় অতিরিক্ত গতিতে যান চালানোয় ৭৪৯টি মামলায় ২০ লাখ ৮২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com